নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে মহামারিকে আমলে নিচ্ছে না ডাক ও টেলি যোগাযোগ বিভাগ। একইসঙ্গে উন্নয়ন কাজে দুর্নীতি বা অনিয়মে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে প্রতি সপ্তাহে অথবা পাক্ষিক ভিত্তিতে কাজের অগ্রগতি জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে প্রকল্প পরিচালকদের।
এছাড়াও বিভাগের অধীন প্রতিটি সংস্থাতেই কর্মরতদের প্রথম সারির করোনা যোদ্ধা বিবেচনায় তাদের চিকিৎসা ব্যয় বহন ও পরিবারের প্রয়োজনীয় সকল সুবিধা নিশ্চিত করতে কোম্পানিগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি কেউ যদি করোনায় মৃত্যু বরণ করেন, তবে তার পরিবারের যোগ্য ব্যক্তিকে বিভাগেই কর্মসংস্থানের সুযোগ দেয়া হবে।
রোববার (২৬ জুলাই) বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক সভায় এসব নির্দেশনা দিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

মন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল এই সভায় মন্ত্রণালয় সচিব মোঃ নূর-উর-রহমান, বিটিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল মতিন, বিএসসিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান, ডাক বিভাগের মহাপরিচালক সুধাংশু শেখর ভদ্র, টেলিটক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সাহাব উদ্দিন, বিটিআরসির প্রশাসন বিভাগের মহাপরিচালক দেলোয়ার হোসেন ছাড়াও প্রকল্প পরিচালকেরা বৈঠকে সংযুক্ত ছিলেন।
বৈঠক সূত্রে জানাগেছে, জাতীয় উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ৬ শতাংশ এগিয়ে আছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন চলমান প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ। মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে গড়ে ৮৬ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে বিটিসিএলের মাধ্যমে পরিচালিত নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের এমওটিএন প্রকল্পের ৯৮ শতাংশ কাজই সম্পন্ন হয়েছে।
এছাড়াও প্রকল্পের ৯০ শতাংশ কাজই ইতোমধ্যে শেষ হওয়ায় আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই দেশজুড়ে টেলিটকের থ্রিজি নেটওয়ার্ক সুবিধা মিলবে বলে জানাগেছে।